রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য বত্রিশ দলের আটটি গ্রুপ চুড়ান্ত দেখে নিন আপনার প্রিয় দল কোন গ্রুপে৷
বিবেক
গল্পঃ """বিবেক"""
•
চারদিক নিস্বব্ধ কোনো কোলাহল নেই।রাতের আঁধারে আকাশে মেঘেরা খেলা করছে।রোড লাইটের আলোতে শহরের ফাঁকা রাস্তাগুলো দেখা যাচ্ছে।কয়েকটা কুকুর মাঝে মাঝে চিৎকার করে এদিক-সেদিক দৌড়ে যাচ্ছে।মনে হয় কিছু দেখেছে, তাই এমন করছে।একটা বাসা থেকে কুরআন তিলাওয়াতের মধুর ধ্বনি ভেসে আসছে।
.
রাতের আঁধারে ফারাহ রহমান ফজরের নামাজ পড়ে মধুর সুরে কোরআন তিলাওয়াত করছেন।কুরআন তিলাওয়াত শেষ করে, স্বামীর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন।মনের মাঝে একটা শীতল বাসায় বয়ে যায়।তারপর স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে মসজিদে পাঠিয়ে দেন।
•
পূর্ব আকাশে সূর্য ওঠে।পৃথিবীটা নতুন রুপে সাজতে শুরু করে।ফারাহ রহমান মেয়েকে স্কুলে দিয়ে আসার জন্য তাড়াহুড়ো করে তৈরি করছেন।তারপর মা-মেয়ে স্কুলে যেতে থাকে।নূরাহ ছোট ছোট পা ফেলে মায়ের সাথে হাটছে আর এটা-সেটা দেখছে।হঠাৎ নূরাহ একটা ছবির পোস্টার দেখে থমকে দাঁড়ায়।সে মন দিয়ে পোস্টারের ছবিটাকে দেখতে থাকে।
.
এটা একটা সিনেমার ছবির পোস্টার।ছবিটাতে কয়েকটা মেয়ে অর্ধনগ্ন পোশাক পড়ে আছে।ছবিটাতে মেয়েরা এমন পোশাক কেন পড়েছে? নূরাহ কারণ খুঁজে পায় না।এই মেয়ে গুলোর সাথে আরও ছেলে, পুরুষ ও মহিলা কেন আছে? সে বুঝতে পারছে না।তার মনের মাঝে একটার পর একটা প্রশ্ন জাগতেই থাকে।
.
ফারাহ রহমান কয়েক পা এগিয়ে যাওয়ার পর দেখেন উনার মেয়ে সাথে নেই।উনি পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখেন নূরাহ এক দৃষ্টিতে পোস্টারের দিকে তাকিয়ে আছে।উনি পোস্টরের ছবিটার দিকে তাকাতেই লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলেন। মেয়ের কাছে এসে বলেন
•
- নূরাহ মামনি তুমি এখানে কি করছ?
- মা! ঐ পোস্টরের ছবি গুলো দেখছিলাম।মা! দেখ ঐ মেয়ে গুলোর কোনো লজ্জা-সরম নেই, তারা কেমন কাপড় পড়েছে।
.
- হ্যাঁ, মা ওদের লজ্জা-সরম নেই।কিন্তু তুমি এগুলো কেন দেখছ? তোমার গুনাহ হচ্ছে না?
.
- মা আমার ভুল হয়ে গেছে।হঠাৎ চোখের সামনে চলে আসে।তাই আমার মনে ছিল না।আমাকে মাফ করে দাও! আমি আর এসবের দিকে তাকাব না।
.
- ঠিক আছে কথাটা মনে রেখো!
- মা! আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবে না?
.
- আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চায়লে নিশ্চয় ক্ষমা করে দিবেন।এখন তাড়াতাড়ি স্কুলে চল ক্লাসের দেরী হয়ে যাচ্ছে।
.
- ইস আমার তো মনেই ছিল না, আমি যে স্কুলে যাচ্ছিলাম! চল-চল তাড়াতাড়ি চল।
.
তারপর নূরাহ হাটিহাটি পা-পা করে মায়ের সাথে স্কুলে যেতে থাকে।ফারাহ রহমান চিন্তার সাগরে ভাসতে থাকেন।কারণ নূরাহর মনে যদি একবার ঐসব কাপড়ের প্রভাব ফেলে! তখন তিনি কি করবেন? কিভাবে তাকে বুঝাবেন? আরও নানা রকমের চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠছেন।
•
ফারাহ রহমানের সুখের পরিবার।তিনি স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে সুখেই দিন কাটাচ্ছেন।কিন্তু বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার জন্য উনাকে মাঝে মাঝে বিভিন্ন সমস্যায় পরতে হয়।যেমনটা আজকে একবার ভোগতে হয়েছে।প্রতিবার নামাজ শেষে মুনাজাতে দোয়া করেন ধীরে ধীরে যেন সমাজ ব্যবস্থাটা পাল্টে যায়।এবং একটা সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা যেন সৃষ্টি হয়।ফারাহ রহমান অপেক্ষায় আছেন এই দিনটা দেখার জন্য।কিন্তু কোনদিন দেখতে পারবেন কিনা তিনি জানেন না।
.
শেষ বিকেলের আলোতে তাওহীদ রহমান পত্রিকা পড়ছেন।ফারাহ রহমান দুই কাপ চা নিয়ে স্বামীর পাশে বসেন।দুই জন চুপচাপ চা খেয়ে যাচ্ছেন।আর শেষ বিকেলের আলোতে উড়ে যাওয়া পাখি গুলোকে দেখছেন।একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কিছুক্ষণ চুপ থেকে ফারাহ রহমান বলেন
.
- জানেন আজকে নূরাহকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় কি হয়েছে?
মুচকি হেসে উনি বলেন
- না বললে কিভাবে জানব?
.
তারপর মিসেস রহমান সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলেন।সম্পূর্ণ ঘটনা শোনার পর তাওহীদ রহমান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।উনি কি বলবেন বুঝতে পারছেন না।কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলেন
.
- দিন দিন আমাদের বিবেক লোপ পাচ্ছে।আমাদের মন মানসিকতা লোপ পাচ্ছে।এবং আমরা যে একটা ইসলামিক দেশে বাস করছি সেটাও ভুলে যাচ্ছি।
.
- ঠিক বলেছেন।আর বর্তমান সময়ের অনেক মেয়ে বা মহিলাদের পোশাক-আশাক এর জন্য যারা পর্দা মেনে চলে।তাদের তো প্রতিটা সময় লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে।মেয়েটাকে নিয়ে আমার খুব ভয় হয়, কিভাবে বড় করব? কিভাবে সুন্দর একটা জীবন দিব?
.
- ভয় তো আমারও হয়।প্রতিদিন অপহরণ, ধর্ষণ আরও কত নানা রকমের খবরা-খবর বের হয়।খবর গুলো শুনে খুব ভয় করে, হৃদয়টা খুব কাঁদে।জানি না, কখন এসব বন্ধ হবে।
.
তারপর দু'জন চুপ হয়ে যায়।কিছুক্ষণ পর আবার তাওহীদ রহমান বলেন
.
- তুমি নাটক বা সিনেমার কথা বললে না? এই সব আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে।এবং মনে হয় কখনও বন্ধ হবে না।
.
- মানলাম আগে থেকে চলে আসছে, তারা এখন আর বন্ধ করতে পারবে না।তাই বলে এরকম পোশাক-আশাক পড়ে অভিনয় করতে হবে? ভাল পোশাক পড়ে কি অভিনয় করা যায় না?
.
- এই কথাটা তো আমারও।তারা অনেকে মনে করে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পোশাক উন্নত করলেই ব্যবসা সফল হবে! কিন্তু গল্প ভাল না হলে এসব পড়ে অভিনয় করলেই কি ব্যবসা সফল হবে? আর গল্প ভাল হলেই কি এসব পোশাক পড়তে হবে? আমার বোঝে আসে না।
.
- ঠিক বলেছেন।যারা পর্দা মেনে জীবন-যাপন করছে, তাদের কথা একবার ভাবছে? বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েদের মন মানসিকতা কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে একবার চিন্তা করছে?
.
আবার দুজন চুপ হয়ে যায়।দূরের আকাশ থেকে আযানের ধ্বনি ভেসে আসে।নামাজ আদায় করতে দুজনেই ওঠে পড়ে।বিষন্ন মনে অযু করতে বাথরুমে চলে যায়।
•
কয়েকদিন পর
•
মা-মেয়ে তৈরি হয়ে স্কুলে যেতে থাকে।আজ আবার অন্য একটা পোস্টারের ছবি নূরাহর চোখে পড়ে।মেয়েটাকে তার এতো ভালো লাগে, সে বলে বোঝাতে পারবে না।এক পলকে ওকে দেখতেই থাকে।ফারাহ রহমান কিছুদূর যাওয়ার পর পিছনে ফিরে দেখেন উনার মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন
.
- নূরাহ মামনি তুমি দাঁড়িয়ে আছ কেন?
- মা! দেখ একটা মেয়ে গেঞ্জি ও প্যান্ট পড়ে মোবাইল হাতে নিয়ে কিভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
একটু রাগি সুরে বলেন
- নূরাহ! তুমি আজকেও ওদের দিকে তাকিয়েছ?
অপরাধী সুরে নূরাহ বলে
- মা! আমি ইচ্ছা করে তাকায়নি; আমার চোখে ঐ ছবিটা পড়ে যায়।
.
- উফ! তোমাকে নিয়ে আমি পারিনা, তুমি সব সময় ঐসব চিন্তা নিয়ে থাক তাই না?
কান্না সুরে নূরাহ বলে
- না মা! তুমি আমাকে ভুল বুঝছ।
- ঠিক আছে, এখন চল ক্লাসের দেরী হয়ে যাচ্ছে।
- আচ্ছা মা তারা এমন কাপড় কেন পড়েছে? আর কেনই বা এমন করে পোস্টার লাগিয়েছে?
- এমন কাপড় কেন পড়েছে, আমি কি করে বলব! আমি তো জানি না।আর তারা প্রচারের জন্য লাগিয়েছে।
.
- কিন্তু মা! এসব কাপড় না পড়ে তারা কি ভাল কাপড় পড়ে অভিনয় করতে পারে না?
- হ্যাঁ মা! ভাল কাপড় তো পড়াই যায়।কিন্তু মামনি! আমাদের এসব চিন্তায় তাদের কিছু আসবে না, আবার তাদের কিছু যাবে না।এখন তাড়াতাড়ি স্কুলে চল।
- অভিমানে নূরাহ মায়ের সাথে চুপচাপ হাটতে থাকে।
•
মেয়েকে স্কুলে দিয়ে ফারাহ রহমান উদাস মনে হাটছেন।বার বার মেয়ের কথা গুলো মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।একটা ছোট মেয়ে হয়ে যদি তার মাথায় এই চিন্তা-ভাবনা গুলো আসে! আর যারা এসবের সাথে জরিত তাদের মাথায় কেন এই চিন্তা-ভাবনা গুলো আসে না? আর কেনই বা তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করে না? উনি হাটছেন আর ভাবছেন।এবং একটা নতুন সুন্দর দিনের অপেক্ষা করছেন।কিন্তু এই দিনটা কখনও আসবে কিনা? ফারাহ রহমান জানেন না।
•
লিখাঃ MD Mahmudur Rahman Tauhid
(Ovimani Mrt)
হুমায়ূন প্রেমীদের জন্য সংগ্রহীত
কে কয়টা বই পড়ছেন মিলিয়ে নেন...
গ্রন্থ ও গ্রন্থ সমগ্রঃ
- ১. নন্দিত নরকে
৩. Flowers of Flame (অনুবাদ)
৪. এইসব দিনরাত্রি
৫. জোছনা ও জননীর গল্প
৬. মন্দ্রসপ্তক
৭. দূরে কোথাও
৮. সৌরভ
৯. নি
১০. ফেরা
১১. কৃষ্ণপক্ষ
১২. সাজঘর
১৩. বাসর
১৪. গৌরীপুর জাংশান
১৫. নৃপতি (নাটক)
১৬. বহুব্রীহি
১৭. আশাবরি
১৮. দারুচিনি দ্বীপ
১৯. শুভ্র
২০. নক্ষত্রের রাত
২১. আমার আছে জল
২২. কোথাও কেউ নেই
২৩. আগুনের পরশমণি
২৪. শ্রাবণ মেঘের দিন
২৫. আকাশ জোড়া মেঘ
২৬. শূন্য
২৭. ওমেগা পয়েন্ট
২৮. ইমা
২৯. অমানুষ (অনুবাদ)
৩০. অপেক্ষা
৩১. মেঘ বলেছে যাবো যাবো
৩২. দ্বিতীয় মানব
৩৩. ইস্টিশন
৩৪. মধ্যাহ্ন (২ খণ্ড একত্রে)
৩৫. মাতাল হাওয়া (২০১০)
৩৬. শুভ্র গেছে বনে (২০১০)
৩৭. ম্যজিক মুনসি
৩৮. একটি সাইকেল ও কয়েকটি ডাহুক পাখি
৩৯. দাঁড় কাকের সংসার মাঝে মাঝে তবো দেখা পাই
৪০. আমরা কেউ বাসায় নেই (২০১২)
৪১. মেঘের ওপারে বাড়ি (২০১২)
৪২. বাদশাহ নামদার
৪৩. এপিটাফ
৪৪. রূপা
৪৫. রাক্ষক খোক্কস এবং ভোক্ষস
৪৬. পিপলী বেগম
৪৭. আজ চিত্রার বিয়ে
৪৮. এই মেঘ, রৌদ্রছায়া
৪৯. তিথির নীল তোয়ালে
৫০. নবনী
৫১. জলপদ্ম
৫২. আয়নাঘর
৫৩. আমাদের শাদা বাড়ি
৫৪. In Blissful Hell
৫৫. A Few Youths In The Moon
৫৬. চাঁদের আলোয় কয়েক জম যুবক
৫৭. জলকন্যা
৫৮. শ্রেষ্ঠগল্প
৫৯. এলেবেলে
৬০. যশোহা বৃক্ষের দেশে
৬১. স্বপ্ন ও অন্যান্য (মঞ্চ নাটক সমগ্র)
৬২. হুমায়ূন ৫০
৬৩. পরীর মেয়ে মেঘবতী
৬৪. বোকাভু
৬৫. ছেলেটা
৬৬. রূপার পালঙ্ক
৬৭. অদ্ভুত সব উপন্যাস
৬৮. জোৎস্নাত্রয়ী
৬৯. কানী ডাইনী
৭০. বৃষ্টি বিলাস
৭১. যদিও সন্ধ্যা
৭২. মৃন্ময়ী
৭৩. তেঁতুল বনে জোছনা
৭৪. কুটু মিয়া
৭৫. হুমায়ূন আহমেদের হাতে ৫টি নীলপদ্ম
৭৬. ৮০দশকের ৫টি উপন্যাস
৭৭. ৭০দশকের ৫টি উপন্যাস
৭৮. আসমানীরা তিন বোন
৭৯. নীল মানুষ
৮০. উড়াল পঙ্খি
৮১. ভূতসমগ্র
৮২. অচিনপুর
৮৩. আজ আমি কোথাও যাবনা
৮৪. একজন মায়াবতী
৮৫. তারা তিন জন
৮৬. রজনী
৮৭. শ্যামল ছায়া
৮৮. এই শুভ্র ! এই
৮৯. আমি এবং কয়েকটি প্রজাপ্রতি
৯০. দিনের শেষে
৯১. একা একা
৯২. প্রথম প্রহর
৯৩. ছোটদের জন্য এক ব্যাগ হুমায়ূন বোকা রাজার সোনার সিংহাসন
৯৪. টগর এন্ড জেরী
৯৫. ব্যাঙ কন্যা এলেং
৯৬. কাক ও কাঠ গোলাপ
৯৭. ৯০দশকের ৫টি উপন্যাস
৯৮. শ্রেষ্ঠ প্রেমের উপন্যাস
৯৯. অরণ্য
১০০. এই বসন্তে
১০১. লীলাবতী
১০২. লিলুয়া বাতাস
১০৩. কে কথা কয়?
১০৪. To the woods Dark & Deep
১০৫. মূল :হুমায়ূনআহমেদ (সবাইগেছেবনে)অনুবাদ :ফারিহাসুলতানা
১০৬. Gouripur Junction
১০৭. মূল :হুমায়ূনআহমেদ (গৌরিপুরজংশন)অনুবাদ :শফিক-উল-করিম
১০৮. Equation Fiha
১০৯. মূলঃ হুমায়ূনআহমেদ (ফিহাসমীকরণ)অনুবাদ :নুহাশ হুমায়ুন
১১০. দিঘির জলে কার ছায়া গো
১১১. আনন্দ বেদনার কাব্য
১১২. নির্বাচিত গল্প
১১৩. নির্বাচিত কিশোর উপন্যাস
১১৪. মীর খাইয়ের অটোগ্রাফ
১১৫. হুমায়ূন ৬০
১১৬. হুমায়ূন আহমেদ রচনাবলী-১
১১৭. হুমায়ূন আহমেদ রচনাবলী-২
১১৮. বৃক্ষকথা
১১৯. আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ
১২০. গল্পপঞ্চাশৎ
১২১. মানবী
১২২. নির্বাচিত সায়েন্স ফিকশন
১২৩. হুমায়ূন আহমেদর রচনাবলী-৩
১২৪. হুমায়ূন আহমেদর রচনাবলী-৪
১২৫. আয়োময়
১২৬. চক্ষে আমার তৃষ্ণা
১২৭. রূপালী দ্বীপ
১২৮. পাখি আমার একলা পাখি
১২৯. নলিনীবাবু Bsc
১৩০. মৃন্ময়ীর মন ভালো নেই
১৩১. কবি
১৩২. ভূত ভূতং ভূতৌ
১৩৩. জনম জনম
১৩৪. অনন্ত নক্ষত্র বীথি
১৩৫. মীরার গ্রামের বাড়ি
১৩৬ সুমদ্র বিলাস
১৩৭. দ্বৈরথ
১৩৮. ১৯৭১
১৩৯. স্বনির্বাচিত উপন্যাস
১৪০. পঞ্চকন্যা
১৪১. গল্পসমগ্র
১৪২. কিশোর সমগ্র
১৪৩. আমার প্রিয় ভৌতিকগল্প
১৪৪. বাদল দিনের প্রথম কদমফুল
১৪৫. বাদল দিনের দ্বিতীয় কদমফুল
১৪৬. প্রিয় ভয়ংকর
১৪৭. কিছুক্ষণ
১৪৮. প্রিয় পদরেখা
১৪৯. সূর্যের দিন
১৫০. যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
১৫১. দুই দুয়ারী
১৫২. মহাপুরুষ
১৫৩. মঞ্চ নাটক ১৯৭১
১৫৪. দি একসরসিস্ট
১৫৫. সম্রাট
১৫৬. ভৌতিক অমনিবাস
১৫৭. নিশিকাব্য
১৫৮. জল জোছনা
১৫৯. পোকা
১৬০. ছায়াবীথি
১৬১. পারুল ও তিনটি কুকুর
১৬২. অদ্ভুত সব গল্প
১৬৩. চেরাগের দৈত্য এবং বাবলু
১৬৪. রুমালী
১৬৫. কালো জাদুকর
১৬৬. বৃষ্টি ও মেঘমালা
১৬৭. মেঘের ছায়া
১৬৮. ইরিনা
১৬৯. কুহক
১৭০. পেন্সিলে আঁকা পরী
১৭১. উদ্ভট গল্প
১৭২. Love You All
১৭৩. সায়েন্স ফিকশান সমগ্র (১মখ)
১৭৪. উপন্যাস সমগ্র (১মখণ্ড)
১৭৫. উপন্যাস সমগ্র (২য়খণ্ড)
১৭৬. উপন্যাস সমগ্র (৩য়খণ্ড)
১৭৭. উপন্যাস সমগ্র (৪থ খণ্ড)
১৭৮. উপন্যাস সমগ্র (৫মখণ্ড)
১৭৯. উপন্যাস সমগ্র (৬ষ্ঠখণ্ড)
১৮০. উপন্যাস সমগ্র (৭মখণ্ড)
১৮১. উপন্যাস সমগ্র (৮মখণ্ড)
১৮২. উপন্যাস সমগ্র (৯মখণ্ড)
১৮৩. উপন্যাস সমগ্র (১০মখণ্ড)
১৮৪. পুতুল
১৮৫. বোতলভূত
১৮৬. তোমাদের জন্য রূপকথা
১৮৭. মুক্তিযুদ্ধেরউপন্যাসসমগ্র ॥ ১
১৮৮. নীল অপরাজিতা
১৮৯. জয়জয়ন্তী
১৯০. প্রিয়তমেষু
১৯১. Ants & Other Stories
১৯২. ছোটদের সেরা গল্প
১৯৩. হলুদ পরী
১৯৪. বনের রাজা
১৯৫. ভুত মন্ত্র
১৯৬. একি কাণ্ড!
১৯৭. ছবি বানানোর গল্প
১৯৮. সানাউল্লার মহাবিপদ
১৯৯. বিরহগাথা - ১
২০০. বিরহগাথা - ২
২০১. বিরহগাথা - ৩
২০২. অনিল বাগচীর একদিন
২০৩. জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল
২০৪. তোমাকে
২০৫. অন্য ভুবন
২০৬. শীত ও অন্যান্য গল্প -১
২০৭. রোদন ভরা এই বসন্ত
২০৮. নুহাশ এবং আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগ
২০৯. নীল হাতী
২১০. এংগা, বেংগা, চেংগা
২১১. মজার ভূত
২১২. আরো বই
২১৩. ধাঁধার জবাব
২১৪. মজার ছেলেবেলা
২১৫. হুমায়ূন (১৫)
২১৬. ভয়ংকর ভুতুড়ে
২১৭. তুমি আমায় ডেকে ছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে
২১৮. অন্ধকারের গান
২১৯. অপরাহ্ন
২২০. সে ও নর্তকী
২২১. অন্যদিন
২২২. তোমাদের জন্য ভালবাসা
২২৩. নির্বাসন
২২৪. চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস
২২৫. ছায়াসঙ্গী
২২৬. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
২২৭. গৃহত্যাগী জোছনা
২২৮. বৃষ্টি ও জোছনা
২২৯. সেই মেয়েটি
২৩০. তিনি ও সে
২৩১. ভালবেসে যদি সুখ নাহি
২৩২. তিন পুরুষ
২৩৩. এসো করো স্নান
২৩৪. বন বাতাসী
২৩৫. রাজার কুমার নিনিত
২৩৬. স্বপ্ন ও অন্যান্য (নাটক সমগ্র)
২৩৭. হুমায়ূন বিচিত্রা (উপন্যাস সমগ্র)
হিমু সংক্রান্ত উপন্যাসঃ
১. ময়ুরাক্ষী
২. দরজার ওপাশে
৩. হিমু
৪. হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
৫. এবং হিমু
৬. পারাপার
৭. হিমুর রুপালী রাত্রি
৮. একজন হিমু কয়েকটি ঝিঝি পোকা
৯. হিমুর দ্বিতীয় প্রহর
১০. তোমাদের এই নগরে
১১. সে আসে ধীরে
১২. আঙ্গুল কাটা জগলু
১৩. হিমু মামা
১৪. হলুদ হিমু কালো র্যাব
১৫. আজ হিমুর বিয়ে
১৬. হিমু রিমান্ডে
১৭. হিমুর মধ্যদুপুর
১৮. চলে যায় বসন্তের দিন
১৯. হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য
২০. হিমুর বাবার কথামালা
২১. হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D.বল্টুভাই
২২. হিমুর নীল জোছনা
২৩. শ্রেষ্ঠ হিমু
২৪. হিমু সমগ্র (প্রকাশকঃ সুবর্ণ)
২৫. নির্বাচিত হিমু
২৬. হিমু সমগ্র (দ্বিতীয় খণ্ড )
২৭. হিমু অমনিবাস
২৮. হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী
২৯. হিমুর আছে জল
মিসির আলি সংক্রান্ত উপন্যাসঃ
১. দেবী
২. নিশিথিনী
৩. নিষাদ"
৪. অন্যভুবন"
৫. বৃহন্নলা
৬. ভয়
৭. বিপদ"
৮. অনীশ"
৯. মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য
১০. আমি এবং আমরা"
১১. তন্দ্রাবিলাস"
১২. আমিই মিসির আলি"
১৩. বাঘবন্দী মিসির আলি
১৪. কহেন কবি কালিদাস
১৫. হরতন ইশকাপন"
১৬. মিসির আলির চশমা (২০০৮)
১৭. মিসির আলি! আপনি কোথায়? (২০০৯)
১৮. মিসির আলি আনসলভ" (২০১০)
১৯. যখন নামিবে আঁধার (২০১২)
২০. মিসির আলি অমনিবাস-১
২১. মিসির আলী অমনিবাস-২
২২. পুফি
আত্মজীবনীঃ
১. বলপয়েন্ট
২. কাঠপেন্সিল (২০১০)
৩. ফাউন্টেইন পেন
৪. রংপেনসিল (২০১১)
৫. নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ (২০১২)
৬. হোটেল গ্রেভার ইন
৭. আমার ছেলেবেলা
৮. কিছু শৈশব
৯. এই আমি
১০. সকল কাঁটা ধন্য করে
১১. আমার আপন আঁধার
১২. অনন্ত অন্বরে
১৩. মে ফ্লাওয়ার
১৪. আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই
১৫. আমি (বলপয়েন্ট + কাঠপেন্সিল + ফাউন্টেন পেন + রংপেন্সিল)
১৬. রাবনের দেশে আমি ও আমরা
১৭. পায়ের তলায় খড়ম
১৮. দেখা না দেখা
১৯. নিউইয়র্ক এর নীল আকাশে ঝকঝকে রোদ
x
গল্প:একাকিত্ব
>>>>>>>><<<<<<<
অন্তহীন কিছু কষ্ট আছে যা আজও কেউ শুনল না,হৃদয়
ভাঙা কিছু ঢেউ ছিলে যা ক্ষত সৃষ্টি করে চলে
গেলো,তারা ভরা কিছু রাত ছিলো যা একাই কাটিয়ে
দিলাম,আর কিছু কিছু রাত ছিলো যা নিকোটিনের
ধোয়ায় পার করে দিলাম..!!
জীবনের যখন মানে বুঝতাম না, তখন অনেক রঙিন স্বপ্নকে
ঘিরে শিশির ভেজা সকাল পার করে দিয়েছি!!
মায়ের কোলে ঘিরে জীবনটাকে ছন্দময় মনে হতো,মাঝে
মাঝে মায়ের আঁচলের আভায় ঘুমিয়ে পরতাম,মায়ের
আদরের মাঝে খুজতাম না কোন সুখ,ছুটে চলতাম খেলার
নেশায়,যা খুশি আবদার করতাম,আর সেই আবদারগুলো পূরণ
হওয়ায় অনেক খুশি থাকতাম..!!!
আজ আটটি বছর ধরে কারো আঁচলের নিচে ঘুমাই
না,কারো কাছে খুশির কথা গুলো বলতে পারি না,আর
আবদারগুলোতো কবেই সব মুছে গেছে।
এই আটটি বছর জীবনে অনেক কেঁদেছি,হেসেওছি সবার
সামনে,কিন্তু ওই হাসির মাঝে ছিলো না কোন সুখ,ছিলো
কষ্ট নামের বুকফাটা কন্না কে চাপা দেয়ার অভিনয়
মাত্র।
হাসি মুখে অনেক সহ্য করেছি,অনেক অপমান,অবহেলা,
ঘৃণা এসব নিত্য দিনের সঙ্গি হয়ে দাড়িয়েছে।
-
একটি মেয়ে ছিলো, যে গোধুলী বিকেলে কোথায়
দাড়ালে তার টোল পরা মুখটির সামনে পাখিরা গান
করত,তার চোখের চাউনিতে পাখিরা খুজে পেতো
তাদের কন্ঠের সুর,সে হাসলে সব কিছু থমকে যেতো তার
দিকে...!!
মেয়েটি ছিলো আমার বন্ধু, দু'জন খুব ক্লোজ বন্ধু
ছিলাম,আমরা দু'জন ছিলাম নীল রঙের চিরকুটে লেখা
নীল স্বপ্ন...!!
দু'জনই নীল রঙ পছন্দ করতাম,সব মিলিয়ে আমাদের মাঝে
পুরাটাই মিল ছিলো,তবে একটা দিক ছিলো যেটাতে
আমি তার চেয়ে অনেক পিছিয়ে, সেটা হলো,সে খুব বড়
লোকের দুলালি,আর আমি একজন ঠিকানাহীন প্রথিক
মাত্র...!!!
কথায় আছে তৈল আর জল কখনই এক জায়গায়
থাকেনা,তেমনি আমাদের বন্ধুত্বটা উল্টো,আমি খুবই
অতি সাধারন ঘরের ছেলে জেনেও আমার বন্ধু হতে
চেয়েছে মেয়েটা।আমি শুনেছিলাম বন্ধুত্ব নাকি কোন
জাত কুল মানে না,আমি সেই কথাটির যথাযত প্রমাণ
পেলাম..!!
-
আমি কখনই কোন স্বপ্নের আসা করিনি,তবে নিজের
পায়ে দাড়াব এটাই ইচ্ছা,তবে এটাও একটা স্বপ্ন,আর
স্বপ্ন ছাড়া মানুষ হয় না।
আমি মনে করি কষ্ট স্হায়ী আর সুখ অস্হায়ী...!!
-
[ওহহহ্ পরিচায়টা দেওয়া হয়নি,আমি তোরিয় আর মেয়েটা
তিথি]
-
তিথির আর আমার বন্ধত্বটা একটা এক্সিডেন্ট,আমি
কলেজ থেকে যাবার সময় সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলাম,
তখন একটা প্রায়ভেট কার এসে আমাকে ধাক্কা দেয়,আর
ধাক্কাটা লাগে আমার এক সাইডে,তাই রাস্তার
এপাসটায় ছিটকে পড়ে গিয়েছিলাম,যখন পড়ে গেলাম
তখন আমি বুঝলাম কারো ওপর ভর করে আছি আমি,তখন
তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে, না মেয়ে না র্সগের
পরি,অতঃপর আমিই উঠে দাড়িয়ে পরলাম,কারন অচেনা
শহর কেউ যদি কিছু বলে।
অতঃপর মেয়েটাও উঠে দাড়িয়ে পরল।
-
সরি,আসলে আমি বুঝতে পারিনি!!--(তোরিয়)--
আপনি কেন সরি বলছেন,দোষটাতো আপনার নয়,আর
দোষটা হলো প্রায়ভেট কার এর,যাই হোক ঠিক
আছেনতো?কোথায় লাগেনিতো??--(তিথি)--
জ্বি না লাগেনি কোথাও,আপনার কোথাও লাগেনিত??--
(তোরিয়)---
না লাগেনি,এই আপনার হাতে কি হইছে দেখি??--(তিথি)-
-
কই কিছু না[হাতটা লুকিয়ে নিলাম,কারন কেটে গেছে]--
(তোরিয়)--
দেখি,এতোটা কেটে গেছে আর আপনি বলছেন কিছু
হয়নি,দিন হাতটা!!!--(তিথি)--
পরে তিথি আমার হাতটি তার রুমাল দিয়ে বেধে
দিলো,এর পর থেকে আমাদের বন্ধত্বটা শুরু হলো।
আর তিথিকে আমি কলেজের ফাষ্ট দিন থেকেই
চিনি,ভালো লেগেছিলো কলেজ এর ফাষ্ট দিনই,কিন্তু
আমার এই অগোছালে জীবটার সাথে কাউকে জড়াতে
চাই না বলে,কাউকে কিছু বলি না,আসলে আমি কারো
দিকে তাকাই না,নিজের একাকিত্ত নিজের মাঝেই
রেখে দি...!!
-
একদিন কলেজে একা একা ক্যাম্পাসে বসে ছিলাম,তখন
তিথি এসে পিছন থেকে আমার চোখটা ধরল।
বলোতো আমি কে??--(তিথি)--
কে আপনি বুঝতে পারছি না,ওহহ হু তিথি!!--(তোরিয়)--
অই তুমি আমাকে কিভাবে চিনলে,হুহ বেপার কি??--
(তিথি)---
জানিনা!!--(তোরিয়)--
একা একা কেন? কোন বন্ধু নাই তোমার??--(তিথি)--
না,আমার কোন বন্ধু নাই!!--(তোরিয়)--
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই,আমাকে নিবে তোমার ফাকা
বন্ধুর জায়গাটায়??--(তিথি)--
নিশ্চুপ!!--(তোরিয়)--
কি হলো বলো??--(তিথি)--
আমি খুব গরিব ঘরের ছেলে আর তুমি অনেক বড় ঘরের
মেয়ে,তৈল আর জল কখনও এক হয় না!!---(তোরিয়)--
বন্ধত্বর মাঝে এসব ম্যাটার করে না,আমি তোমার বন্ধু হব
এটাই শেষ কথা,দরকার পরলে![কথাটি বলই দিলে একটা
হাসি,আর হাসির মাঝে অপূর্ব একটা টোল পরে গেলে
তার মুখের বাম পাসটায়]--(তিথি)--
ওকে আমি রাজি!!কিন্তু আমাকে একা রেখে চলে
যাওয়া যাবে না!!--(তোরিয়)--
আমি সব কিছুতেই রাজি!চলো ক্লাস করব??--(তিথি)--
হুহ!চলো..!!--(তোরিয়)--
-
আমাদের বন্ধত্বটা অনেক মুজবুত ছিলো,তিথি আমায়
অনেক আগলে রাখত,প্রায় সময় ফোন করে খবর নিতো
আমি খেয়েছি কিনা,চুলটা গোছালো আছে কি না,এক
কথায় সব কিছুর খোজ খবর নিতো...!!!
এইভাবে দু'টি বছর কেটে গেলো,সামনেই আমাদের ইন্টার
এর ফাইনাল পরিক্ষা..!!
-
একদিন ক্যাম্পাসে বসে আছি তিথি আর আমি,দুজনই
নিশ্চুপ, হঠাৎ করে তিথি বলে উঠল।
খুব ধন্যবাদ তোমাকে তোরিয়!!--(তিথি)--
কেন ধন্যবাদটা জানতে পারি কি?--(তোরিয়)--
এইযে দু'টি বছর পার করে দেবার জন্য!--(তিথি)--
মানে এসব কি বলছো তুমি??--(তোরিয়)--
ও এখনও বুঝনি,আসলে বোকা টাইপের ছেলেগুলা এমনই
হয়,আরে বাবা আমি তোমার সাথে টাইম পাস্ করলাম, আর
তুমি আমার বন্ধু হবার কোন যোগ্যতাই নেই,ভাবলাম একটা
বোকা ছেলের সঙ্গে দু'টি বছর কাটাই,তাই তোমাকে
বেছে নেওয়া,আর কি যেন বলছিলে ছেড়ে যাবেনাতো
নাকি কি যেন,পাগল হয়েছো নাকি তোমার সাথে আমি
থাকব,আমার বয় ফেন্ড একটু বাইরে গিয়াছিলে,তাই
ভাবলাম সময় কাটাব কি ভাবে,তাই তোমাকে আর
কি,আচ্ছা যাই হোক ভালো থেকে বাই,আর হু আমাকে
আর কখনও ভূলেও ডিস্টার্ব করবা না নইলে খবর আছে!!--
(তিথি)--
ওকে!![মাথা নিচু করে]--(তোরিয়)--
-
তখন তিথি চলে যাবার পরে অনেক কেঁদেছিলাম,আবার
সেই একাই হয়ে গেলাম,আসলেইতো তৈলে আর জলে
কখনও মিলে না,এটার আবারও প্রমাণ পেলাম,কষ্ট হয়তো
আমার পিছু সারা জীবন তাড়া করে বেরাবে।
ইন্টার ফাইনাল পরিক্ষা শেষ হয়ে গেলো,তিথিকে আর
কখনই ফোন দিয়ে ডিস্টার্ব বা কথা বলার চেষ্টা করিনি।
পরে সেই কলেজ থেকে চলে আসি,তার পর আর তিথির
সাথে কখনও কথা হয়নি,আমি আমার নিজের জীবনটা
নিয়ে ব্যাস্ত,এখন আর কাউকে নিয়ে ভাবি না,সেই ভয়টা
আজও তাড়া করে বেড়ায়....!!!!
>>>>>>>>>><<<<<<<
লেখক:-- স্বপ্ন হীন চোখে অশ্রু (অগোছালো মি.)"
সি প্রোগ্রাম কোর্স।
সি প্রোগ্রাম কোর্স।
১। https://www.udemy.com/c-programming-beginners/...
২। https://www.udemy.com/learn-how-to-code-using-c-sharp.../... [ সি শার্প বেসিক ]
udemy.com এ একাউন্ট ওপেন করে এখানে enroll now তে ক্লিক করলেই কোর্সটি বিনামূল্যে আপনার একাউন্টে চলে আসবে। তবে, আমরা যেই লিংক দিয়েছি কুপন সহ সেটাই ব্যাবহার করতে হবে। অন্যথায়, ৮০ ডলার প্রদান করা ছাড়া কোর্সটি পাবেন না।
কোর্সটি করার পর udemy থেকে একটা সার্টিফিকেট পাবেন, যারা কোর্স নিজ থেকে করে সার্টিফিকেট আমাদেরকে প্রদান করবেন তাদের মধ্য থেকে যাচাই করে আমরা আগ্রহীদের নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট কোর্স চালু করবো বিনামূল্যে।
যেহেতু, ৮ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে তাই ব্যাক্তিগত ভাবে সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বিধায় আন্তরিক দুঃখিত। চেষ্টা চালিয়ে জান,
যারা শেয়ার করেছেন তাদের আইডি গুলো আমরা সংগ্রহে রেখেছি। তাদেরকে নিয়ে আমরা পরবর্তীতে সাপোর্ট জোন চালু করার ব্যাপারে পরিকল্পনা নিচ্ছি। ধন্যবাদ।
একটি মৃত আত্মা
গভীর রাত... মুয়াজ্জিন মাইকে ঘোষনা দিচ্ছে, "প্রিয় এলাকাবাসী.. ঘুম থেকে উঠুন, সেহরী খান, আজকে সেহরীর শেষ সময় ৩ টা বেজে ৩৯ মিনিট।"
পাশ ফিরে উঠতে যাবো, তখনই খেলাম বড় ধরনের একটা ধাক্কা..! আবছা আলোতে দেখলাম আমার মত দেখতে পাশে একজন শুয়ে আছে। এইটা আবার কে..? ভয়ে ভয়ে তাকে নাড়া দিলাম, দেখলাম অচেতন।
কোনো কথা বলছে না, শরীর ঠান্ডা।
কিছুক্ষণ পরেই মনে হলো ভদ্রলোক মারা গেছেন। চিন্তা করলাম এই লাশটা এখানে কেন..? আবার দেখতে পুরোপুরি আমার মত..! স্বপ্ন দেখছিনা তো..?
না.. সত্যিই তো... অনেকক্ষণ চিৎকার করে সবাইকে ডাকার চেষ্টা করলাম। কিন্তু এ কি! কেউই আসছেনা..
একটু পর দেখলাম বোন রুমের লাইট জালালো এবং ওই লাশটার কাছে এসে বললো, "ভাইয়া সেহরী খাবি না? ওঠ, সময় হয়েছে।"
আমিতো পুরোই অবাক, এইসব হচ্ছেটা কি..? ওর কাছে গিয়ে বললাম, "অই.. তোর কি মাথা খারাপ হইসে? লাশটা এই রুমে আসলো কিভাবে? এইটা কার লাশ?"
দেখলাম, সে আমার কথায় কোন কর্ণপাতই করলো না। সেও লাশটা ধরে অবাক হলো এবং চিৎকার করে উঠলো..
মুহুর্তেই পাশের রুম থেকে আম্মু-আব্বু এসে স্তব্ধ। ধপ করে খাটে বসে লাশটাকে ধরে ঝাঁকাতে লাগলো এবং চিৎকার করতে লাগলো, "বাবা, কি হইসে তোর..? কথা বলছিস না কেনো..? কথা বল...।" আম্মু ব্যাপারটা বোঝার সাথে সাথেই বেহুঁশ।
চিৎকারের আওয়াজে চাচা-চাচিরা, ভাবি, কাজিনরা সবাই জড়ো হলো। লাশটা দেখেই সবাই ইন্নালিল্লাহ পড়তে লাগলো। আশেপাশে কান্নার রোল পরে গেছে।
মুয়াজ্জিন বেচারা সেহরীর জন্য ডাকতে ডাকতে এমনিতেই হয়রান হয়ে গেছে, এখন আবার নতুন এলান করতে হবে..
মুয়াজ্জিন যখন আমার বাবার নাম নিয়ে বললো অমুকের ছেলে অমুক ইন্তেকাল করছে, তখন মনে হলো হাই ভোল্টেজের শক খেলাম।
সবাই আমাকে বাদ দিয়ে লাশটা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পরলো। কাউকেই বুঝাতে পারলাম না যে আমি বেঁচে আছি। মনে হলো সবাই পাগল হয়ে গেছে। এক কাজিনকে ক্ষেপে গিয়ে একটা ধাক্কাও মেরেছিলাম, সে দেখলাম বিন্দু পরিমাণ প্রতিবাদ করেনি।
ফজরের পর লাশটা গোসল দেয়ার ব্যবস্থা করা হলো। মুয়াজ্জিন সাহেব আরেক জনকে নিয়ে আসলেন গোসল দিতে। দুইজন বলাবলি করতে লাগলেন, "আরে.. মৃত্যু কার কখন আসে বলা যায় না। এইরকম তাগরা মানুষ মারা যাইবো কে ভাবসে, কাল বিকালেই তো আমাদের সাথে হাসিখুশী ভাবে কত কথা বললো।" আমি লাশটার পাশেই ছিলাম, দাঁড়িয়ে উনাদের কথা শুনছিলাম।
গোসল দেয়ার পর কাফনের কাপড় পরিয়ে খাটাইয়ের ওপর লাশটা রাখা হয়েছে। লাশ ঢাকবার জন্য মসজিদ থেকে কালো রঙের কাপড়টা আনা হলো। সবাইকে শেষবারের মতো লাশ দেখার সুযোগ করে দেয়া হলো।
এখনো আমার কাছে সবকিছু পরিষ্কার না, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাসার আশেপাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই এসেছে লাশটাকে দেখতে। কত পরিচিত মানুষ কান্নাকাটি করছে। কিন্তু কাউকেই বুঝাতে পারলাম না, আমি মারা যাই নি, আমি বেঁচে আছি, এটা অন্য কারো লাশ। কেউ আমার কথা শুনতেই পারছে না।
যোহরের পর জানাজা। আযান হয়ে গেছে। লাশ নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আম্মু আর বোন লাশ ধরে সেকি কান্না। আত্মীয়রাও কেঁদে উঠলো। আহা! হৃদয়স্পর্শী এক দৃশ্য।
অবাক ব্যাপার.. একদিন আগেও ঠান্ডা-সর্দী লেগে ছিলো, হাল্কা জ্বরও ছিলো, দু-এক দিন যাবৎ ঠিকমত তারাবীও আদায় করতে পারছিলাম না। কিন্তু আজ কিছুই মনে হচ্ছে না, আমি পুরোপুরি সুস্থ, আর শরীরটাও তুলার মত হালকা মনে হচ্ছে।
যাইহোক.. লাশ গণকটুলি ঈদগাহ মাঠে জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো। ঈদগাহ মাঠ লোকে লোকারণ্য, একটুও জায়গা খালি ছিলো না। বাবা হালকা একটু কথা বলার পর ইমাম সাহেব একটু বয়ান করে জানাজা পড়ালেন।
জানাজা শেষে লাশ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখানে গিয়ে দেখলাম নানুর কবরের পাশেই একটা কবর খনন করা হয়েছে। ঠিকঠাক ভাবে লাশ দাফন করে সবাই আত্মার মাগফিরাতের জন্য দু'আ পড়তে লাগলো। মুনাজাত শেষে সবাই যার যার মত চলে গেলো কিন্তু বাবা বসে থাকলো। তাকেও জোর করে নিয়ে যাওয়া হলো।
অবশেষে আমার কাছে সব পরিষ্কার হতে লাগলো যে আসলেই আমি আর এই জগতে নেই। আহ! যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, তাহলে কত যে আমল করতাম, সব সময় মসজিদ মাদ্রাসাতেই পরে থাকতাম... কিন্তু তাতো আর হবার নয়।
একটু পর দেখি আমি ওই বডিটার মধ্যে যাচ্ছি। আমি পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পেলাম। এ কি..! চারদিকে অন্ধকার আর অন্ধকার। অনেক ভয়ে আছি। হয়তো একটু পরই মুনকির-নাকির আসবে, বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবে, না পারলেই শুরু হবে আযাব।
শুয়ে শুয়ে অন্ধকার ঘরে পুরো ঘটনাটা চিন্তা করলাম, ভাবলাম এগুলা হচ্ছেই, একদিন তো হবেই। হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসলাম, শরীরের প্রতিটা লোম দাঁড়িয়ে গেছে। এই সপ্ন আমাকে বদলে দিতে সাহায্য করবে।।
প্রতিটা মানুষের এভাবেই প্রতিদিন মৃত্যুকে স্মরণ করা উচিৎ। তাহলে আশা করা যায় গুনাহ থেকে মনকে বিরত রাখা যাবে এবং কবরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে..
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক...
ভালোবাসা
ভালোবাসা দিবস দিনটি একটু অন্যরকম৷
কেউ প্রেমিক-প্রেমিকা কেউবা আবার পরিবারের সাথে দিনটি পার করে৷
আমার এরকম কোনো পরিকল্পনা ছিলনা দিনটি নিয়ে৷
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল বাসা থেকে বের হয়ে যাই৷
নির্দিষ্টকরে কোনো গন্তব্য না থাকায় তেমন কোনো তাড়া ছিলনা৷
,
,
হাটতে হাটতে অনেক পথ পাড়ি দিলাম৷
ঠিক যেনো হুমায়ূন কাকার গল্পের হিমুর মতো৷
আমিতো হিমুনা,তাহলে আমি হাটছি কেনো৷
ভাবছি সবাইকি আমাকে হিমুর মতো মনে করছে৷
ভাবলে ভাবুক বেপারটা মন্দ লাগছেনা আমি উপভোগ করছি৷
,
,
কিছুক্ষন পর স্থির হয়ে গিয়ে একটা হোটেলে সকালের নাস্তাটা করার জন্য বসলাম৷
নাস্তা খাওয়া সেরে আবারো পথচলা৷
রঙ্গ বেরঙ্গের মাজে চোখ গিয়ে পড়ল নিল শাড়ী পড়া মেয়েটির দিকে৷
কি সুন্দর লাগছে,যেনো হিমুর নিল আমার সামনে গুরছে৷
কথা বলতে ইচ্ছা করছে৷
কিছু মনে করবে নাতো৷
,
,
আপনাকে শাড়ীতে খুব সুন্দর লাগছে৷
ঠিক যেনো হুমায়ূন কাকার গল্পের নায়ক হিমুর নিল এর মতো৷
সে কি বলছে যানেন৷
সে বলছে সেটা আমি যানি আমি অনেক সুন্দর৷
যদিও ভেবেছিলাম তার উত্তর হবে হিমুর নিল এর মতো৷
যাক সেতো আর নিল না,তাই হয়তো এমন উত্তর৷
,
,
পার্কের এক কোনায় এক মেয়ে ফুল নিয়ে বসে আছে৷
গিয়ে তার পাশে বসলাম৷
স্যার আপনি কি ফুল নিবেন?
বাচ্ছার কন্ঠে মিষ্টি শব্দ শুনে গোর কাটলো৷
,
,
তোমার সবগুলো ফুল কত টাকায় বিক্রি করবা?
সব গুলা নিবেন?
হ্যা সবগুলো৷
স্যার আপনি খুশি হয়ে যা দেন৷
আপনি টাকা দিলে আমি আমার মায়ের জন্য ওষুধ আর খাবার কিনে নিবো৷
আমি যদি তোমার ফুলের দাম দেওয়ার পরে তোমার মায়ের জন্য ওষুধ আর কিছু ফল কিনে দেই তুমি নিবে?
সত্যি স্যার আপনি আমাকে এসব কিনে দিবেন৷
কেনো দিবোনা ছলো আমার সাথে৷
তার হাতে কিছু ফল আর তার মায়ের ওষুধ গুলো তুলে দিলাম৷
মেয়েটির হাসিমুখ দেখতে ফেরে খুব ভালো লাগলো৷
আবার গিয়ে বসলাম পার্কে৷
গিয়ে দেখি নিল শাড়ী পড়া মেয়েটি হাটছে৷
হাটতে হাটতে আমার কাছে আসলো৷
একি আপনি আমার পাশে বসছেন?
আরো সিট পড়ে আছে সেখানে গিয়ে বসুন৷
আপনি মনে আমার উপর রাগ করেছেন?
আমি আপনার উপর রাগ করবো কেনো৷
তাহলে বসতে দিচ্ছিলেন না যে?
আচ্ছা ঠিক আছে বসুন৷
তখন এমন হুট করে ছলে আসলেন?
আপনাকে যা বলার ছিল তা বলে ছলে আসছি৷
কিন্তু আমারওতো আপনাকে কিছু বলার ছিলো৷
কি বলতে চান আপনি বলতে পারেন৷
আপনি হিমুর মতো হলুদ পান্জাবি পরতো পারেননা?
না আমিতো হিমুনা তাহলে আমি হলুদ পান্জাবি পড়বো কেনো?
আমার ভালো লাগে তাই৷
ঠিক আছে তবে আপনাকেও সবসময় নিল শাড়ী পরতে হবে৷
আমিতো নিল শাড়ী পড়েই আছি৷
আচ্ছা নিল শাড়ী পড়লে কি নিল এর মতো হওয়া যায়?
আপনি হলুদ পান্জাবি পড়ুন দেখবেন আপনার নিজেকে হিমুর মতো মনে হবে৷
,
,
আমি হিমু হলে আপনি কি আমার নিল হয়ে আমার পাশে থাকবেন?
সবসময় থাকতো পারবো কিনা যানা না৷
তবে চেষ্টা করবো সারাটা জীবন আপনার নিল হয়ে আপনাকে সঙ্গ দিতে ৷
,
,
আচ্ছা আয় আমি উঠি আগামি কাল ঠিক এই সময় এখানে আসবো আমি তোমার হিমু হয়ে৷
হয়তোবা ভালোবাসা দিবসে সুন্দর একটি গল্প শুরু হবে হিমু-নিল এর৷
কিন্তু তাদের ভালোবাসা কি সময় এমন পবিত্র হয়ে থাকবে?
হাজারো ভালোবাসার গল্প শুরু হয় আবার শেষ হয়৷
আনেকে পারে আবার আনেকে পারেনা তাদের ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষা করতে৷
যার ফলে সমাজে দিন দিন বেড়ে চলে অনেক অজানা আতঙ্ক ৷
যা আমাদের সমাজকে ঘিরে রেখেছে ভাইরাসের মতো যা মহুর্তেই আমাদের সমাজকে শেষ করে দিতে পারে৷
তাই আমাদের সকলের উচিত সতর্কতার সহিত থাকা৷
এবং নৈতিকতা বিবর্জিত কাজ থেকে নিজেকে দুরে রাখা৷
লেখকঃ Sk Shohorab King II
