সৃজনশীল বলতে আর কিছুই থাকলো না৷

★ 'হেড এক্সামিনারের কঠোর নির্দেশে দুইবার
শিক্ষার্থীদের খাতায় নম্বর কমাতে গিয়ে হাত
কাঁপছিলো! মনে হচ্ছিলো আমি একজন
অভিভাবক। চোখের সামনে ভাসছিলো ১০ম
শ্রেণিতে পড়া ছেলের মুখটি। নম্বর কমাচ্ছি আর
ভাবছি কি করছি আমি? কিন্তু কিছুই করার ছিলো
না চাকুরী রক্ষায় যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন
সেভাবেই খাতা দেখেছি।' কথাগুলো বলছিলেন
নগরীর একজন গণিত শিক্ষক।★ 'প্রতি বছরের
মত এ বছরও খাতা মূল্যায়ন শেষে জমা
দিয়েছিলাম কিন্তু হেড এক্সামিনার পাশের আর
জিপিএ-৫ এর সংখ্যা দেখে চমকে উঠলেন!
বললেন, সর্বনাশ!! এত পাশ কেন? এতগুলা A+
কেন? তাড়াতাড়ি খাতানিয়ে যান আবার মূল্যায়ন
করে জমা দেন' বলেছেন একটি পাইলট স্কুলের
বাংলা শিক্ষিকা।★ আমাদেরকে বলেছেন শিক্ষা
মন্ত্রনালয়ের তদন্ত টিম খাতা পূনঃমূল্যায়ন
করবে। তারা খাতায় কোন গাফিলতি পেলে
এ্যাকশানে যাবেন। তাই যা হবার তাই হয়েছে।'
বলেছেন একটি সরকারী গার্লস স্কুলের
বাংলাদেশ বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের শিক্ষক।★ 'খাতা
মূল্যায়নের পূর্বে একটি উত্তর পত্র আমাদের
ধরিয়ে দিয়ে বলেছিলো এখানে যেভাবে লিখা
আছে সে অনুযায়ী খাতা মূল্যায়ন করবেন। আর এ
পদ্ধতি ফলো করতে গিয়ে আমরা নিজের হাতেই
যেন সৃজনশীলতাকে গলাটিপে হত্যা করলাম।
কারন প্রকৃত মেধাবীরা কোন উত্তর পত্রের
বেঁধে দেয়া নিয়ম মুখস্ত করে না। তারা
উত্তরপত্রে তাদের সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ
ঘটায়।' বলেছেন জেলা সদরের একটি স্কুলের
প্রধান শিক্ষক।চাকুরীতে প্রভাব পড়তে পারে
এমন সংকটে উপরের কোন শিক্ষকই তাঁদের নাম
প্রকাশে রাজি হননি।#এসএসসি_খাতা_মূল্যয়ন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন